বিজ্ঞপ্তির আগেই প্রশিক্ষণ ; রাজ্যে এসআইআর ঢাকে কাঠি সিইও দফতরের
সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়
পশ্চিমবঙ্গ সহ গোটা দেশে এসআইআর যে চালু হচ্ছেই তা ইতিমধ্যেই নিশ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার রাজ্যে এসআইআর ঢাকে কাঠি দিতে আরও একধাপ এগোল রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। কমিশনের নির্দেশ মেনেই এসআইআর প্রক্রিয়ার কাজে সংযুক্ত সব ধরণের কর্মীদের প্রশিক্ষণের কাজ শুরু করল রাজ্য সিইও দফতর। মঙ্গলবার দুপুরে এনিয়ে সংশ্লিষ্ট এডিএম (নির্বাচন), ওসি (নির্বাচন), ইআরও এবং এইআরও-দের এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত থাকতে জেলায় জেলায় ডিইও-দের চিঠি দিল রাজ্য সিইও দফতর। সিইও দফতরের কনফারেন্স রুম থেকেই দুপুর দুটো থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
সোমবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর থেকে রাজ্যের সব ইআরও এবং এডিএম-দের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করা হয়। মূলত, ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান ভোটার তালিকার ম্যাপিং নিয়ে এই কনফারেন্স হয়। আর এই বিশেষ প্রশিক্ষণ দিতে গিয়েই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয় মঙ্গলবার গোটা রাজ্যের সব ইআরও-এইআরও সহ সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের আসন্ন এসআইআর-এ যারা কাজ করবেন তাঁদের প্রত্যেককেই বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। অর্থ্যাৎ, বিজ্ঞপ্তি জারি না হলেও পুজোর পর রাজ্যে এসআইআর চালু হতে চলেছে তা কার্যত বুঝিয়ে দিচ্ছে রাজ্য সিইও দফতর।
পাশাপাশি বুধবার রাজ্যে আসতে চলেছেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী। বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার গোটা রাজ্যের জেলা নির্বাচনী আধিকারিক থেকে শুরু করে ইআরও সহ সব আধিকারিকদের সঙ্গেই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন। তাই রাজ্যে ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার আসার আগেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর এসআইআর প্রস্তুতি সেরে ফেলতে চায়। রাজ্যের শাসকদল থেকে বিরোধী দলগুলির একাংশ যেভাবে এরাজ্য সহ গোটা দেশে এসআইআর-এর বিরুদ্ধে কোমর বেঁধে ময়দানে নামলেও নির্বাচন কমিশন দেশজুড়ে এসআইআর চালু করতে বদ্ধপরিকর তা অবশ্যই স্পষ্ট।

