হেডলাইন

“আশার আলো”:প্রথম দফায় বিহারে রেকর্ড ভোটদান

সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়

কথায় বলে ” প্রতিটি সকাল গোটা দিনের পথ দেখায়”। সেই অনুযায়ী এসআইআর হওয়ার পর প্রথম ভোটদানের নিরিখে গোটা দেশকে পথ দেখালো বিহার। যদিও প্রথম দফার ভোট তবু ভোটদানের পরিসংখ্যান মোটের উপর নির্বাচন কমিশনের সাফল্যের প্রাথমিক ধাপ নির্দেশিত করছে বলা যায়।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার বিহার বিধানসভার সাধারণ নির্বাচনের প্রথম দফায় ১৮ টি জেলার ১২১ টি বিধানসভা ক্ষেত্রের নির্বাচনে ভোটদানের শতাংশ ৬৪.৬৬। যা, ১৯৫১ সাল থেকে হওয়া বিহারের লোকসভা এবং বিধানসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ভোটদানের গড় বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন। প্রথম দফায় ৪৫ হাজার ৩৪১ টি ভোটকেন্দ্রে ৩ কোটি ৭৫ লক্ষের বেশি ভোটার ভোটদান করেন। বৃহস্পতিবারের ভোটদানের গড় ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে এতদিন পর্যন্ত ২০০০ সালে বিহার বিধানসভা নির্বাচনে ভোটদানের গড় ৬২. ৫৭ শতাংশ ছিল সর্বাধিক। ১৯৯৮ সালের বিহার লোকসভা নির্বাচনে ভোটদানের গড় ছিল ৬৪.০৬ শতাংশ। বৃহস্পতিবারের বিহারের নির্বাচনে ( লোকসভা ও বিধানসভা মিলিয়ে) সমস্ত রেকর্ড ভেঙে ভোটদানের গড় দাঁড়িয়েছে ৬৪.৬৬ শতাংশ। যদিও আগামী ১১ নভেম্বর বিহারে দ্বিতীয় দফার ভোট বাকি রয়েছে। সে ক্ষেত্রে ২০২৫ সালের বিহার বিধানসভা সাধারণ নির্বাচনের সার্বিক ভোটদানের গড় প্রথম দফার ফলাফলকে অক্ষুন্ন রাখবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও প্রথম ইনিংসে বিহারের জনাদেশ যেভাবে ব্যাটিং করেছে তাতে দ্বিতীয় ইনিংসেও একই ধারা বজায় থাকবে বলে আশাবাদী নির্বাচন কমিশন। উল্লেখযোগ্য, ১৯৫১-৫২ সালে বিহার লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দানের গড় ছিল সর্বনিম্ন, যথাক্রমে ৪০.৩৫ শতাংশ ও ৪২.৬ শতাংশ। প্রথম দফায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ১,৩১৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন যাদের হয়ে বুথে বুথে প্রতিনিধিত্ব করেন ৬৭,৯০২ পোলিং এজেন্ট। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারের নির্বাচনী বিহারে দেশের মধ্যে প্রথম একটি বুথে সর্বাধিক বারোশো ভোটার ভোট দান করতে পারবেন নির্বাচন কমিশনের এই নিয়ম মেনে ভোটপর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

Share with