হেডলাইন

কমিশনের বিশেষ বার্তা নিয়েই শুনানির নথি পরীক্ষা, আজ অবজার্ভার বৈঠকে সিইও

 

সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়

এসআইআর শুনানিতে জমা দেওয়া নথিকেই চূড়ান্ত প্রামাণ্য নথি ধরে নিয়ে জমা পড়া নথির স্ক্রুটিনি বা পর্যবেক্ষণ করবেন স্পেশাল রোল অবজার্ভাররা। নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী যদি সেই নথি মান্যতা না পায় তাহলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে এবং ভোটার তালিকা থেকে সংশ্লিষ্ট ভোটারের নাম বাদ যাবে। এই মর্মে নির্দেশ দিতেই বৃহস্পতিবার রাজ্যে এসআইআর পর্বে নিযুক্ত ১৬ জন স্পেশাল রোল অবজার্ভারদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন রাজ্যের সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল ও গোটা রাজ্যের দায়িত্বে থাকা স্পেশাল রোল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত। মূলত, দুই ২৪ পরগনাকে বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে মোট ১৪ টি জেলায় স্পেশাল রোল অবজার্ভারদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারি যুগ্ম সচিব পর্যায়ের আধিকারিকদের এরজ্যে স্পেশাল রোল অবজার্ভারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ১২ জেলায় একজন করে দায়িত্বে থাকলেও দুই চব্বিশ পরগনার ক্ষেত্রে দুজন করে স্পেশাল রোল অবজারভারকে তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় বেঙ্গল চেম্বারস অফ কমার্সের আইটিসি হলে এই বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

বস্তুত, রাজ্যজুড়ে প্রতিদিন প্রায় কুড়ি লক্ষ ভোটারের কাগজ স্ক্রুটিনি করছেন রোল অবজার্ভার থেকে শুরু করে স্পেশাল রোল অবজার্ভার সকলেই। একদিকে হাতে কম সময় অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইনের পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ এই সবকিছুকে মান্যতা দিয়েই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া যে নথির তালিকা রয়েছে তার মধ্যে যে কোনও একটি নথিই কেবলমাত্র প্রামাণ্য নথী হিসেবে বিবেচিত হবে তা আগেই জানিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্ট শুনানির পদ্ধতি বা নথি নিয়ে সেভাবে কোনও নির্দেশ দেয়নি। মাধ্যমিকের এডমিট কার্ড বয়সে প্রমাণপত্র হিসেবে গ্রহণযোগ্য বলা হলেও কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে এডমিট কার্ডের সঙ্গে মাধ্যমিক পাশের সার্টিফিকেট সঙ্গে নিয়ে শুনানিতে হাজির হতে হবে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে।
স্বাভাবিকভাবেই কোনও নির্বাচক বা ভোটার যদি কমিশনের তালিকাভুক্ত নথির বাইরে কোনও নথি জমা দেন তাহলে তার নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলেই কমিশন সূত্রে খবর।

Share with