হেডলাইন

‘বাংলার বাড়ি ‘ প্রকল্পের নথি এসআইআরে মান্য নয়, নাম বাদের কবলে বহু ভোটার!!

 

সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়

কেন্দ্র-রাজ্য টানাপোড়েনের জের এবার বঙ্গের এসআইআরে। শুনানি পর্বে যারা শুধু বাংলার বাড়ি প্রকল্পের শংসাপত্র নথি হিসেবে জমা দিয়েছেন তাঁদের জন্য খারাপ খবর। বাংলার বাড়ির শংসাপত্র এসআইআরের নথি হিসেবে মান্যতা দেবে না নির্বাচন কমিশন। যেহেতু দুর্নীতির অভিযোগ সহ একাধিক প্রশাসনিক কারণে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা এরাজ্যে বন্ধ করে দেয় কেন্দ্র। তার জেরেই ওই প্রকল্পের পাল্টা হিসেবে বাংলার বাড়ি প্রকল্প চালু করে রাজ্য। যা সম্পূর্ণ রাজ্যের প্রকল্প বলে ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এই প্রকল্প নিয়ে যেহেতু আইনি জটিলতা রয়েছে তাই এই প্রকল্পের শংসাপত্রকে মান্যতা দিতে নারাজ কমিশন। রাজ্যের সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন ” শুধু বাংলার বাড়ি শংসাপত্রকে মান্যতা দেওয়া হবে না। সেক্ষেত্রে ওই ভোটারের নাম চুড়ান্ত ভোটার তালিকায় থাকবে না। তবে এর সঙ্গে অন্য কোনও নথি ( যা কমিশনের স্বীকৃত তালিকাভুক্ত ) জমা দেওয়া হয় সেগুলোর ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে।”

অবশ্য চুড়ান্ত ভোটার তালিকায় নম না থাকলেও তালিকায় নাম তোলার আরও সুযোগ পাবেন সংশ্লিষ্ট ভোটার। সুপার চেকিংয়ে পাশ না করলেও প্রথমে ডিইও বা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং পরে সিইও-র কাছে নাম তোলার জন্য আবেদন করতে পারবেন ওই ভোটার। সেক্ষেত্রে একাধিক নথি দেওয়া সত্ত্বেও তাঁর নাম কেন ওঠেনি তা জানতেও চাইতে পারবেন। নির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে যদি প্রমাণিত হয় ভোটার একাধিক নথি দেওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র বাংলার বাড়ির নথি আপলোড করা হয়েছে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ইআরও অথবা এইআরও-র বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সিইও। কিন্তু শুনানি পর্ব চলাকালীন বা তার আগে এই নিয়ম বা গাইডলাইন না জানিয়ে শুনানি শেষের পর এই গাইডলাইন জানানো হল কেন ? এতে তো সাধারণ ভোটারদের হয়রানি বাড়ল তার দায় কে নেবে? সিইও উত্তর ” দায় নেওয়ার প্রশ্ন উঠছে কেন? কমিশন তো স্বীকৃত নথির কথা প্রথম থেকেই উল্লেখ করেছে। তা সত্ত্বেও জে প্রকল্পের আইনি স্বীকৃতি নিয়ে সংশয় রয়েছে সেই নথি আপলোড করা তো গাইডলাইন বিরোধী। সেক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অভিযোগ বুঝে নির্বাচন কর্মীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে।” তবে কতজন এধরনের ভোটার রয়েছেন তার কোনও নির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেনি সিইও দপ্তর।

Share with