হেডলাইন

বুথ জ্যামের আইনি ব্যাখ্যা পুলিশকে জানাল কমিশন,১০০ মিটারের বাইরে ভীতি প্রদর্শনেও পুনর্নির্বাচন

সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়

বুথ ক্যাপচারিং বা বুথ জ্যাম-এর প্রচলিত ধারণার বদল হচ্ছে রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে। তবে নিয়মের বাইরে নয়, ভারতীয় জন প্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১ মেনেই বুথ জ্যামের সংজ্ঞা রাজ্যের পুলিশ কর্তাদের কাছে ব্যাখ্যা করল কমিশন। বুধবার সিইও দপ্তরে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের শীর্ষ পদাধিকারীদের কমিশনের পক্ষে সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন,
কোন‌ও বুথ এলাকার ১০০ মিটারের বাইরেও যদি কোন‌ও ভোটারকে আটকানো হয়, ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয় বা ভয় দেখানো হয়, তাহলে সেই ঘটনা সংশ্লিষ্ট বুথ ক্যাপচারিং হিসেবেই বিবেচ্য। সেক্ষেত্রে ওই নির্দিষ্ট বুথে পুনর্নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে নির্বাচন কমিশন। তবে শুধু অভিযোগ নয়, এক্ষেত্রে যদি যথেষ্ট প্রমাণ থাকে তাহলেই নির্দিষ্ট বুথে রিপোল বা পুনর্নির্বাচন করা হবে।

প্রসঙ্গত, প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী শুধুমাত্র বুথের মধ্যে বা বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে গণ্ডগোল হলে, সেই বুথে পুনর্নির্বাচন করানো হয়। কমিশনের বক্তব্য, জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে যেমনটা বলা আছে তেমনটাই পুরোপুরি অনুসরণ করা হবে। উল্লেখযোগ্য, এদিনের পুলিশি বৈঠকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যথাযথ ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি বুথ জ্যাম সংক্রান্ত বৈধ সংজ্ঞার কথাও জানিয়ে দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, বুধবারই রাজ্যে পৌঁছেছেন ২৯৪ জন নির্বাচনী সাধারণ পর্যবেক্ষক, ৮৪ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং ১০০ জন নির্বাচনী আয়-ব্যয় সংক্রান্ত পর্যবেক্ষক। বৃহস্পতিবার থেকেই নির্ধারিত জেলা বা কেন্দ্রে কাজ শুরু করবেন তাঁরা। এই প্রথম রাজ্যে বিপুল সংখ্যক পর্যবেক্ষক ভোটের ডিউটি করতে এসেছেন। রাজ্যে নিযুক্ত বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক এন কে মিশ্র-কে পর্যবেক্ষকের এই বিপুল সংখ্যায় আগমন এবং রাজ্যের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি ইঙ্গিতপূর্ণ উত্তর (বাংলায়) দিয়ে জানান,” বাহিনী-পর্যবেক্ষক তো পরিস্থিতি অনুযায়ী আসবে-যাবে। তবে রাজ্যের আইন-শৃংখলার বিষয়ে আপনারাই (সাংবাদিকরা) ভালো বিচারক। আপনারা খুশি হলে আমরাও খুশি।”

Share with