হেডলাইন

সিইও দপ্তরের কোনও “গোপন এজেন্ডা” নেই, অভিষেককে পাল্টা তোপ মনোজ আগরওয়ালের

সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়

“সিইও দপ্তরে এমন কোন সফটওয়্যার নেই যা দিয়ে কোন ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় সংযোজন বা বিয়োজন করা যায়। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি, একজন ই আর ও বলতে পারবেন না যে আমি কাউকে ভোটারের নাম সংযোজন বা বিয়োজন করতে বলেছি।” সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সিইও দপ্তরে এসে ফর্ম ৬ ইস্যুতে যেভাবে সরাসরি সিইও দফতরকে নিশানা করেছিলেন মঙ্গলবার তার পাল্টা হিসেবে এই ভাষাতেই জবাব দিলেন সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, ” ফর্ম ৬ সরাসরি সিইও দফতরে যদি কেউ জমা দিতে আসেন তা নিয়ে কোন বারন নেই। সরকারি দপ্তর হিসেবে সিইও অফিস নট ভেরিফাইড বলে উল্লেখ করে সমস্ত কাগজপত্র জমা নেয় এবং পরবর্তীতে তা নিয়ম অনুযায়ী প্রসেস হয়। সিইও দপ্তর নিয়ে যেসব ভিডিও প্রকাশ করা হচ্ছে তা নিয়ে কিছু যায় আসে না। আমাদের অফিসে যথেষ্ট স্বচ্ছতা রয়েছে, কোন গোপন এজেন্ডা নেই।”

বস্তুত ভারতীয় জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ১৯৫০ অনুযায়ী ভোটার তালিকা থেকে কোন ভোটারের নাম বাদ গেলে ১৫ দিনের মধ্যে ফর্ম ৬ পূরণ করে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক অথবা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে আবেদন জানাতে হয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর টুইট করা ভিডিও দপ্তরে বান্ডিল বান্ডিল ফর্ম ৬ -এর যে ছবি দেখানো হয়েছে সেগুলি মূলত সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের করা হয়েছিল এবং সেগুলো সিইও দপ্তরে পাঠিয়েছেন ডিইও-রা। সেগুলোই তৃণমূল সংসদের করা এক্স হ্যান্ডেলের ভিডিওতে দেখানো হয়েছে বলে দাবি সিইও-র। আপাতত অভিষেক সোমবার সিইও দপ্তরে গিযে যে অভিযোগ করেছেন তার সত্যতা যাচাই করতে আধিকারিক পর্যায়ের তদন্ত করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন সিইও।

Share with