আমি পশ্চিমবঙ্গ কে চিনি, তাই কমিশন দায়িত্ব দিয়েছে: সুব্রত গুপ্ত
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গসহ বারোটি রাজ্যে এস আই আর চলছে। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের এস আই আর পর্বে ৫৮ লক্ষের বেশি ভোটার বাদ পড়েছে। আগামী ষোল ডিসেম্বর ভোটার খসড়া তালিকা প্রকাশিত হবে। নির্বাচন কমিশন থেকে স্পেশাল রোল অবজারভার হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সুব্রত গুপ্ত কে। দায়িত্ব পাবার পরে বিভিন্ন জেলায় গিয়েছেন। এমনকি এর মধ্যেই দিল্লিতে গিয়ে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনে।তিনি পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ আধিকারিক হিসেবে এস আই আর পর্ব নিয়ে কি বলছেন?
সুব্রত গুপ্ত, স্পেশাল রোল অবজারভার বলছেন…..
- • প্রযুক্তিগত কিছু সমস্যা ছিল। যেহেতু ২০০২ সালের ভোটার তালিকার উপর দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গে এস আই আর হচ্ছে, সেই কারণে প্রথমে সেই ভোটার তালিকা ডিজিটালাইজেশন করতে হয়েছে। কারণ ২০০২ সালের ভোটার তালিকা ছিল ম্যানুয়াল।
• নির্বাচন কমিশন সাত দিনের সময়সীমা বৃদ্ধি করাতে কিছুটা সুবিধি হয়েছে এসআইআর করতে।
• সময় বৃদ্ধির ফলে ভোটার তালিকা সম্পর্কিত ডেটাবেস আরো নিখুঁত করা গিয়েছে।
• ১৬ ডিসেম্বরে খসড়া ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নথি গুলির যেকোনো একটি দিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হবে।
• আমি এই পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এবং কাজ করেছি। ফলে পশ্চিমবঙ্গ সম্পর্কে আমার ধারণা রয়েছে।
• ৩০ লক্ষ ভোটার রয়েছে এখনো যারা ‘আনম্যাপড’।
• ৫৮ লক্ষের বেশি ভোটারবাদ গিয়েছে। সংখ্যাটা আরো কিছুটা বাড়বে।
• ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় অনেক ইচ্ছাকৃত ভুল রয়েছে আবার ‘মিসটেক’ হয়েছে
• বৈধ ভোটার কখনোই বাদ যাবে না

