বড় মিটিং করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন
মৃণাল কান্তি সরকার
•••••••••••••••••••••
আগামী ২১ নভেম্বর ইভিএম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক নির্বাচন কমিশনের। ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। সেই নির্বাচনের আগে এই বৈঠক যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। এসআইআর আবহে ইভিএম নিয়ে এই বৈঠকে দিল্লি থেকে নির্বাচন কমিশনের উচ্চপদস্থ অফিসার ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল থাকবেন। এছাড়া অন্যান্য আধিকারিকরা থাকছেন বৈঠকে। অন্যদিকে
কলকাতা সহ শহরাঞ্চলে বেশকিছু বহুতলে নির্দিষ্ট ভোটারকে বারবার না পেয়ে সেই ভোটারের এনিউমারেশন ফর্ম চলে যাচ্ছে ই আর ওর কাছে। এই ধরনের বহুতল বাসিন্দা সংখ্যা খুব কম নয়। কলকাতা ছাড়াও আসানসোল খড়্গপুরেও এই চিত্র ধরা পড়েছে। অ্যাপে হয়তো দেখাচ্ছে ভোটার গণনা পত্র বিলি হয়ে গেছে কিন্তু আদতে তা হয়নি। এই ধরনের বহু তল বাসিন্দাদের ক্ষেত্রে। বেশ কিছু বস্তি অঞ্চলেও একই চিত্র। কিছু কিছু বস্তি বর্তমানে আর বস্তি নেই। হয় সেখানে বহুতল না হলে অন্য কিছু। সেই বস্তির বাসিন্দাদের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই সমস্ত ভোটারদের নাম আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকায় থাকবে না যেহেতু তারা ভোটার গণনা পত্র জমা দেননি। খসরা তালিকা সঙ্গে যে আরও একটি তালিকা ঝোলানো হবে সেখানে পরিষ্কার করে দেয়া হবে কাদের নাম বাদ গেল এবং কি কারণে বাদ গেল। ৯ ডিসেম্বরের পর এক মাস তারা সময় পাবেন নিজেদের নাম তালিকায় ঢোকাতে বা ভোটার কার্ডে কোন পরিবর্তন করতে চাইলে।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের পঁচা নব্বই শতাংশ গণনা পত্র বিলি হয়ে গেছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে চিত্রটা খানিকটা অন্যরকম।
তবে এক্ষেত্রে আগামী ৯ই ডিসেম্বর থেকে ৮ই জানুয়ারি পর্যন্ত যাদের নাম বাদ যাবে, নামের বানানে ভুল থাকবে, ঠিকানা পরিবর্তন করতে চায় এবং নতুন ছবি ব্যবহার করতে চায় এমন সব ভোটাররা নতুন করে আবেদন জানাতে পারবেন। তবে শহরাঞ্চলের ৩০ শতাংশেরও বেশি ভোটারের খোঁজ না পাওয়া চাওয়াটা নির্বাচন কমিশনের কাছে অন্যতম মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে পাশাপাশি বস্তি এলাকার বাসিন্দাদের যাদের নাম ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় রয়েছে তাদের নিয়েও চিন্তার ভাঁজ করেছে নির্বাচন কমিশনের কপালে। এখন দেখার বিষয় নির্বাচন কমিশন কত তাড়াতাড়ি এই সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম হয়।

