বিএলও-র কাজে আপত্তি ও আবদার খারিজ, বিচারপতির কোপে প্রাথমিক শিক্ষকরা
সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়
প্রশিক্ষণের জন্য ব্রিজ কোর্স করে বিএলও-র কাজে প্রাথমিক শিক্ষকদের আপত্তি ধোপে টিঁকলো না কলকাতা হাইকোর্টে। বরঞ্চ বিএলও-র কাজ না করার আবদারে বিরক্ত বিচারপতি। ” মামলাকারী প্রাথমিক শিক্ষকরা ঘরে বসে বেতন উপার্জন করবেন আর ভোট কেন কোনও কাজই করতে চান না।” কড়া পর্যবেক্ষণ বিচারপতি অমৃতা সিনহার। প্রাথমিক শিক্ষকদের ব্রিজ কোর্স সংক্রান্ত মামলায় পর্যবেক্ষণ বিচারপতি সিনহার।
শুক্রবার হাইকোর্টে প্রাথমিক শিক্ষকদের পক্ষ থেকে জানানো হয় প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করার জন্য ৬ মাসের ব্রিজ কোর্সে রয়েছেন শিক্ষকরা। বিএলও কাজের জন্য দরজায় দরজায় যেতে হবে। ফলে ব্রিজ কোর্স করা সম্ভব হবে না। সেকারণে আদালতের কাছে বিএলও ডিউটি থেকে অব্যাহতি চান মামলাকারী প্রাথমিক শিক্ষকদের আইনজীবী।
পাল্টা নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী আদালতকে জানান, বিএলও-রা সন্ধেয় বাড়ি বাড়ি গিয়ে এসআইআর-এর কাজ করবে। শিক্ষকদের কাজের কোনও ক্ষতি হবে না। ভোটার চায় স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। এই কাজ করতে চাইছে না মামলাকারী বলেও দাবি কমিশনের আইনজীবীর। দু’পক্ষের সওযাল শেষে বিচারপতি সিনহার কড়া পর্যবেক্ষণ,
” মামলাকারী প্রাথমিক শিক্ষকরা শুধু ঘরে বসে টাকা উপার্জন করতে চায়। কেউ কাজ করতে চায় না। এই প্রাথমিক শিক্ষক দের কিছুই করতে হবে না।”
পরে বিচারপতির নির্দেশ,
স্কুল পড়ুয়াদের পড়াশোনা এবং ব্রিজ কোর্সের সূচিতে যাতে ক্ষতি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে মামলাকারী প্রথমিক শিক্ষকদের বিএলও-র কাজে নিযুক্ত করবে কমিশন।

