ট্রেন্ডিংহেডলাইন

বিরোধিতা-মান্যতার দোটানায় এসআইআর শঙ্কার কথা সিইও-কে জানালেন অধীর

 

সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়

বিহারে বিরোধিতা, বাংলায় মান্যতা। এসআইআর নিয়ে দোটানার মধ্যেই মঙ্গলবার রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করলেন বহরমপুরে কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ তথা কগ্রেসের প্রাক্তন সংসদীয় দলনেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। প্রায় আধ ঘন্টা বৈঠকের পর অধীররঞ্জন চৌধুরীর দাবি “যেহেতু সারা দেশে SIR চালু হবে, তাই বাংলায় SIR চালু হবে ধরে নিয়েই আমরা প্রস্তুতি শুরু করেছি” বলে জানান অধীরবাবু।
তাহলে কি বঙ্গে এসআইআর নিয়ে বিহারের মত বিরোধিতার রাস্তায় হাঁটবে না কংগ্রেস? এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এড়িয়ে অধীরবাবুর বক্তব্য, ” রাহুল গান্ধী দেশজুড়ে ভোটার অধিকার নিয়ে আন্দোলন করছেন। রাহুল গান্ধীর প্রতিবাদের পর বিচারব্যবস্থাও এসআইআর নিয়ে আরও সক্রিয় হয়েছে।
বিহারে ৬৫ লক্ষ ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দিয়ে তাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তারই প্রতিবাদে কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধী, তেজস্বী যাদবসহ বিরোধী দলের একাধিক নেতৃত্ব সরব হয়েছেন। ”

অধীররঞ্জন চৌধুরীর দাবি,
ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে ইতিমধ্যেই বাংলায় মানুষের মধ্যে একটা ভয়ের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গ্রাম বাংলার মানুষের মধ্যে সার্বিকভাবে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যাতে কোনও বৈধ ভোটার তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত না হন তার জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে কংগ্রেস।
“গ্রাম বাংলার মানুষের এই আশঙ্কার কথা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে জানিয়েছি” মন্তব্য অধীররঞ্জন চৌধুরীর। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল আশ্বস্ত করেছেন যে কোনও যোগ্য ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে না বলেও জানান তিনি। এসআইআর চালুর আগে সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে রাজ্যস্তরে এবং জেলাস্তরে বৈঠক করা হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন সিইও বলেও জানান অধীরবাবু। এজন্য সাধারণ মানুষের কাছে এসআইআর-কে বিশ্বাসযোগ্য করতে সিইও দফতরকে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির বাড়তি দায়িত্ব নেওয়ার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তাঁরাও মানুষকে বোঝাবেন বলেও জানান অধীররঞ্জন চৌধুরী। এব্যপারে নাগরিক সমাজের মতামত নেওয়ার জন্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে তিনি আবেদন জানিয়েছেন বলে জানান প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি।

Share with