চা-দোকান, ক্লাবে ফর্ম বিলির অভিযোগ, বিএলও-দের কড়া নজরদারির ব্যবস্থা কমিশনের
সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়
কোথাও চায়ের দোকান, কোথাও ক্লাব আবার কোথাও স্কুল বা পাড়ার মোড়। এসআইআর-এর এনামুরেশন ফর্ম যেখান সেখান থেকে বিলি করা হচ্ছে বলে বিএলও-দের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগে সরব হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এমনকি খবর প্রকাশিত হয়েছে গণমাধ্যমেও। রাজ্যের সরকারি কর্মী হয়েও নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন অমান্য করে এনুমারেশন ফর্ম বিলির ক্ষেত্রে এধরনের বিধিভঙ্গের অভিযোগ নিয়ে বিব্রত রাজ্য সিইও দপ্তর। ফর্ম বিলির ক্ষেত্রে এহেন অভিযোগের জেরে ক্ষুব্ধ নির্বাচন কমিশনও। ইতিমধ্যেই সিইও দফতরের পক্ষ থেকে জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। সেই বার্তায় বিএলও-দের দায়িত্ব ও নির্বাচনী বিধি স্মরণ করিয়ে জানানো হয়েছে বুথ লেভেল অফিসারদের এনুমারেশন ফর্ম শুধুমাত্র ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়েই দিতে হবে। এই কাজ কোনভাবেই অন্য কোথাও করা যাবে না।
এনিয়ে আরও সতর্ক হওয়া উচিত জেলাশাসকদের বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
সতর্ক না হলে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিতও দিয়েছে কমিশন।
মূলত, বিহার মডেল অনুসরণ করেই বিএলও-দের কাজ করতে হবে। ভোটারদের বাড়িতে গিয়েই এনুমারেশন ফর্ম হাতে হাতে তুলে দেওয়ার কথা তাঁদের। এজন্য জেলাস্তরে কন্ট্রোল রুম তৈরি করে বিএলও-দের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করার কথা জেলাস্তরের আধিকারিকদের। প্রতি দশটি বুথ পিছু একজন করে বিএলও সুপারভাইজার থাকেন। তাদের আরও সুচারুভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। এছাড়া এইআরও-রা মাঝেমধ্যেই এলাকায় এলাকায় গিয়ে বাড়ি বাড়ি ভিজিট করে বিএলও-রা কতটা দায়িত্ব পালন করছে তা খতিয়ে দেখবেন। সবমিলিয়ে এনুমারেশন ফর্ম বিলি করার বিষয়ে কমিশনের স্ক্যানারে রয়েছেন বিএলও-রা।

