হেডলাইন

ডিইও দপ্তরে ওয়েব কাস্টিং করেই হিয়ারিং প্রক্রিয়া, নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়

আগামী ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন থেকেই রাজ্যে শুরু হচ্ছে হিয়ারিং প্রক্রিয়া।
শুধুমাত্র জেলাশাসক বা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে এই হিয়ারিং প্রক্রিয়া চলবে। পঞ্চায়েত অফিস, ব্লক অফিস সহ অন্য কোথাও এই হিয়ারিং হবে না। স্পষ্ট নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের। এই হিয়ারিং পর্বকে সম্পূর্ণ ওয়েব কাস্টিং করতে হবে এবং তা সংরক্ষণ করতে হবে বলেও নির্দেশ কমিশনের। আর এই নিয়েই এখন তোড়জোড় চলছে গোটা রাজ্যের সব জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের দপ্তরে।

২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম নেই অথচ
এনুমারেশন ফর্ম পুরণ করেছেন তাঁদের যেমন হিয়ারিং-এ ডাকা হবে তেমনি ২০০২ এবং ২০২৫ দুই ভোটার তালিকাটির নাম আছে এবং এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেছেন এমন ভোটারকে প্রয়োজনের ভিত্তিতে হিয়ারিং-এ ডাকা হতে পারে। পাশাপাশি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর একমাসব্যাপী ভোটার তথা বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে যে অভিযোগ ও আপত্তি পাওয়া যাবে সেগুলো খতিয়ে দেখতেও ডাকা হতে পারে হিয়ারিং-এ।
নির্দিষ্ট ভোটার ছাড়াও সংশ্লিষ্ট বিএলও-কেও প্রয়োজনে হিয়ারিং-এর সময় উপস্থিত থাকতে হতে পারে বলে দপ্তর সূত্রে খবর।
এই হেয়ারিং বা শুনানি পর্বে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পরও ভোটারদের নাম সংযোজন বা বিয়োজন হবে। কারণ নতুন ভোটারদের পাশাপাশি বা সঙ্গত কারণে যারা এনুমারেশন পর্বে ফোন পূরণ করতে পারেননি তারাও নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী ফর্ম ৬ পুরণ করে আবেদন করতে পারবেন। ভোটার তালিকা সঙ্গে নতুন ভোটারদের নাম যেমন সংযুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তেমনি বিভিন্ন অভিযোগ ও আপত্তি অথবা নাম বাদ দেওয়ার আবেদন অনুযায়ী শুনানি পর্বে খসড়া ভোটার তালিকায় স্থান পাওয়া ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এই সামগ্রিক ছাড়াই বাছাই শেষ করে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। যে ভোটার তালিকার ভিত্তিতে ২৬ এর নির্বাচন পরিচালিত হবে।

Share with