হেডলাইন

এসআইআর আবহে কোন জরুরী নথি হাতের কাছে রাখবেন

সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়

এসআইআর (স্পেশ্যাল ইনটেনসিভ রিভিশন) বা বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা কী?
নির্দিষ্ট সময়ান্তরে কমিশন এই নিবিড় সমীক্ষা করে। রাজ্যগুলিতে শেষ বার এই সমীক্ষা হয়েছিল ২০০২ সাল থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে। বিহারে হয়েছিল ২০০৩ সালে। ভোটার তালিকায় থাকা নামের মধ্যে কারা মৃত, কারা অন্যত্র চলে গিয়েছেন, কারা ভুয়ো— গভীরে গিয়ে তা সমীক্ষা করে কমিশন। তার পরে তৈরি করে সংশোধিত তালিকা। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে এনুমারেশন ফর্ম দেওয়া হচ্ছে না। তখন তাদের ডাকা হবে। ‌ তবে কোন চিন্তা নেই। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বৈধ-নথি গুলির মধ্যে যেকোনো একটি দেখালেই ভোটার তালিকায় নাম উঠবে।

নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নথি গুলি হল………

১. আপনি কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারি কর্মচারী বা অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী হলে আপনার সেই পরিচয়পত্র।
২. আপনার নামে ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগের কোনও সরকারি (কেন্দ্র অথবা রাজ্য) নথি। ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস, এলআইসি-র নথিও গ্রাহ্য।
৩. জন্মের শংসাপত্র।
৪. বৈধ পাসপোর্ট।
৫. যে কোনও বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়া শিক্ষা সংক্রান্ত শংসাপত্র (যেখানে জন্মের সাল এবং তারিখের উল্লেখ রয়েছে)।
৬. সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্থায়ী বসবাসকারীর শংসাপত্র।
৭. তফসিলি জাতি, উপজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণিভুক্ত হলে তার শংসাপত্র।
৮. জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) তালিকায় নাম।
৯. বনাঞ্চলের অধিকারের শংসাপত্র।
১০. রাজ্য সরকার বা স্থানীয় প্রশাসনের তৈরি করা পারিবারিক ‘রেজিস্টার’।
১১. সরকার প্রদত্ত জমি বা বাড়ির নথি (দলিল, পর্চা ইত্যাদি)।
১২. সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আধার কার্ড। তবে এটা শুধুমাত্র পরিচয় পত্র হিসাবেই গৃহীত।
১৩. বিহারের এসআইআর পরবর্তী ভোটার তালিকা

Share with