‘এসআইআর’ নিয়ে কড়া মনোভাব নির্বাচন কমিশনের
মৃণাল কান্তি সরকার
°°°°°°°°°°°°°°°°°°
সামাজিক মাধ্যমে নজর রেখেই বিহারের পর পশ্চিমবঙ্গেও নির্বাচন কমিশনের কোপে এবার আট জন বুথ লেভেল অফিসার। এই আটজন বুথ লেভেল অফিসারের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই শোকজ করেছে পাশাপাশি পাঁচজন বুথ লেভেল এজেন্টের বিরুদ্ধে এফআইআর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নির্বাচন কমিশন চলতি ১২ টি রাজ্যের সিইও থেকে শুরু করে বুথ লেভেল অফিসার পর্যন্ত একটা নির্দেশিকা জারি করে পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশকে অমান্য করলে শোকজ, বিভাগীয় তদন্ত, সাস্পেনশন থেকে শুরু করে পদোন্নতি আটকে যাওয়া এমনকি ফৌজদারি মামলায় কড়া পদক্ষেপ করতে পিছপা হবে না। কারণ এই এস আই আর নিয়ে যাতে নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ও স্বচ্ছতার বিরুদ্ধে কেউ কোনো পদক্ষেপ করতে না পারে সেই কারণেই নির্বাচন কমিশন এমনই করা বার্তা দিয়েছে।। এরই মাঝে নির্বাচন কমিশনের এক বিশেষ প্রতিনিধি দল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে এসে পৌঁছেছেন যারা টেকনিক্যাল সাপোর্ট দেওয়ার কাজ করবেন ২৪ ঘন্টা। নির্বাচন কমিশন আগেই জানিয়েছিল সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে সব কিছুর ওপরেই নির্বাচন কমিশন কড়া নজর রাখছে আর এবার তা প্রতি পদে পদে খুঁটিয়ে দেখে নিমেষের মধ্যেই বিচার শুরু করছে। যাতে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশকে কেউ উপেক্ষা না করতে পারে। শনিবার বিকেল চারটের মধ্যেই ৪ কোটি এনুমারেশন ফর্ম বিতরণের কাজ শেষ করতে সক্ষম হয়েছে। নির্বাচন কমিশন চাইছে ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় যাদের নাম আছে তাদের একজনেরও নাম যাতে বাদ না যায় ফর্ম বিলির ক্ষেত্রে পাশাপাশি যাদের নাম নেই তাদের নাম যেন না ঢোকে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে। এখন দেখার বিষয় নির্বাচন কমিশনের এই করা বার্তার পর রাজ্যের সিইও থেকে শুরু করে বুথ লেভেল অফিসার পর্যন্ত সব আধিকারিকেরাই অক্ষরে অক্ষরে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশকে পালন করতে কতটা সক্ষম হন।

