ট্রেন্ডিংহেডলাইন

এসআইআরে বিএলও ঘাটতি কত? জানতে বিশেষ পোর্টাল

সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়

এসআইআর সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সংখ্যায় বিএলও মিলবে না। এটা ধরে নিয়েই বিএলও-দের প্রকৃত সংখ্যা জানতে এবার ইলেকশন ম্যান পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম পোর্টাল বা নির্বাচনী জনশক্তি ব্যবস্থাপনা চালু করতে চলেছে রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। শুক্রবার থেকেই নতুন পোর্টাল EMMS 2.0 চালু করা হচ্ছে। এনআইসি এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয়েছে এই পোর্টাল‌। যে পোর্টাল উদ্বোধন করেন এনআইসি-র জয়েন্ট ডিরেক্টর সৈকত নারায়ণ ভট্টাচার্য্য এবং জয়েন ডিরেক্টর শমীক কুমার ভট্টাচার্য্য। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগী এবং ডেপুটি সিইও সুমন্ত রায়। এই পোর্টালের মাধ্যমে প্রায় ৩২ হাজার অফিস থেকে ডেটা এন্ট্রি করার কাজ শুরু হবে।

রাজ্যে প্রায় ১৪ হাজার বুথ বাড়তে চলেছে। ফলে সঠিকভাবে এসআইআর করতে হলে ব্যাপকভাবে বুথ লেভেল অফিসারদের ঘাটতি বাড়বে বলেই শঙ্কা কমিশনের কর্তাদের।
রাজ্যের সমস্ত অফিসকে তাদের অধীনে থাকা সমস্ত কর্মীদের নাম এই EMMS 2.0 পোর্টালে তুলতে হবে। যদি সংশ্লিষ্ট আধিকারিক তাঁদের কর্মীদের নাম না তোলেন তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুসারে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন এবং এর জন্য সম্পূর্ণ দায়বদ্ধ থাকবেন।

এই পোর্টালের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পর্কিত ম্যানপাওয়ার পরিচালনার করার জন্য জেলা প্রশাসন অফিস কর্মীদের যোগ, স্থানান্তর, সম্পাদনা এবং যাচাই করার জন্য একটি ডিজিটাল প্লাটফর্মে হিসাবে কাজ করবে। যেখানে নির্বাচনী কাজের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের তথ্য পরিচালনা করা এবং নতুন কর্মীদের যোগ করার সুযোগ থাকবে। শুধু তাই নয়, অবসর বা বদলির মত নির্দিষ্ট কারণে যারা এসআইআর-এর কাজ করতে পারবেন না এই পোর্টালের মাধ্যমে তাঁদের নাম সিস্টেম থেকে বাদ দেওয়া যাবে। আর সেই তথ্য জেলা, ব্লক স্তরের সেল দ্বারা রেকর্ড করা যাবে। ফলে আসন্ন এসআইআর প্রক্রিয়া চালু করার আগে রাজ্যের কত সংখ্যক নির্বাচনী কর্মী বা আধিকারিক রয়েছেন তার ডেটাবেস তৈরি করে প্রকৃত কর্মীদের সংখ্যার তথ্য সংগ্রহ করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। ফলে আগামিকাল থেকে এই নতুন EMMS 2.0 পোর্টাল চালু করতে চলেছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দফতর বলে সূত্রের খবর।

Share with