বিশেষহেডলাইন

হোম ভোটিংয়ের আদলেই হোম হিয়ারিং ৮৫ ঊর্ধ্বের ভোটারদের, প্রস্তাব কমিশনে

 

সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়

শতায়ু হোন বা শতায়ুর পথে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় যোগ্য ভোটারের তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ছাড় পাবেন না কেউই। তবে অশিতিপর বা অতি প্রবীণ ভোটারদের ক্ষেত্রে তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব পাঠিয়ে কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বা সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল। যদিও কমিশন এখনও পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তের কথা জানায়নি।

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যাদের বয়স ৮৫ বছর বা তার ঊর্ধ্বে তাঁদের বাড়িতে গিয়ে ভোট নেবে কমিশন। আর এবার এসআইআর-এর সময় যাদের বয়স ৮৫ বছর এবং তার ঊর্ধ্বে এবং যদি সংশ্লিষ্ট এই সকল ব্যক্তিদের হিয়ারিংয়ের প্রয়োজন হয় তাহলে তাঁদের বাড়িতে গিয়েই হিয়ারিং করা হোক। নির্বাচন কমিশনকে বিশেষ প্রস্তাব হিসেবে চিঠি লিখে এই আবেদন জানিয়েছেন সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল। বর্তমানে রাজ্যে ৮৫ এবং তার ঊর্ধ্বে ভোটারের সংখ্যা ২,২২,৬৯৬ জন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল নির্বাচন কমিশনে চিঠি লিখে পাঠিয়েছেন সেখানে বলা হয়েছে সেক্ষেত্রে হিয়ারিং করতে যাবেন একজন এইআরও এবং সংশ্লিষ্ট বুথ লেভেল অফিসার বা বিএলও। তবে রাজ্যের ৮৫ বা তার ঊর্ধ্বের সব ভোটারকে হিয়ারিং নোটিশ পাঠানো হবে এমনটা নয়। যেখানে যেখানে নির্বাচন কমিশন মনে করবে সেখানেই এই সকল ব্যক্তিদের নির্বাচন কমিশন হিয়ারিং করবে। প্রসঙ্গত, করোনাকাল থেকেই নির্বাচন কমিশন হোম ভোটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যাদের বয়স ৮০ বছর বা তার ঊর্ধ্বে তাঁদের বাড়িতে গিয়ে ভোট নেওয়া হবে।

রাজ্যে বর্তমানে দুই লক্ষেরও বেশি ৮৫ বছর বয়সী বা তার ঊর্ধ্বে ভোটাররা রয়েছেন। তাঁদের শারীরিক অক্ষমতার কথা মাথায় রেখেই রাজ্য সিইও দপ্তর এই মানবিক সিদ্ধান্তের প্রস্তাব পাঠিয়েছে কমিশনে। যাতে বাড়িতে বসেই এই প্রবীণ ভোটাররা নিজেদের সব তথ্য যাচাই করাতে পারবেন নির্বাচন কমিশনের কাছে। এখন শুধুই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ আসার অপেক্ষা।

অপেক্ষা এখন শুধুই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ আসার।

Share with