হেডলাইন

২৭ জানুয়ারি সিইও-র দরবারে অভিষেক

 

সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়

এসআইআর নিয়ে রাজ্যের শাসকদল ও নির্বাচন কমিশনের তু তু ম্যায় ম্যায় যখন চরণে তখনই রাজ্যের টিই ও মুখোমুখি হতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ২৭ জানুয়ারি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বা সিইও দপ্তরের যাচ্ছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। রবিবার ই মেল মারফত সিইও-র সাক্ষাৎ প্রার্থী হন অভিষেক। ২৭ জানুয়ারি সাক্ষাতের সময় নির্ধারিত হয়। মূলত এসআইআর -এর সামগ্রিক বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর। গত কয়েকদিন ধরেই কমিশন নির্ধারিত লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সি সহ ফর্ম ৭ নিয়ে জটিলতা, বিএলও মৃত্যুর ঘটনা, পর্যাপ্ত সময় না নিয়ে এস আই আর এর কাজ সম্পন্ন করা সর্বোপরি শুনানি কেন্দ্রে রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের ঢুকতে না দেওয়া, মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডকে জন্ম তারিখের প্রমাণপত্র হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া নিয়ে সওয়াল করতে চান অভিষেক বলে তৃণমূল সুত্রে খবর। উল্লেখযোগ্য, সোমবারই সুপ্রিম কোর্ট বিএলএ ২ দের শুনানি কেন্দ্রে ভোটারদের প্রতিনিধি হিসেবে হাজির থাকার বিষয়টিতে সবুজ সংকেত দিয়েছে। যদিও অ্যাডমিট কার্ডের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের বিবেচনাধীন রয়েছে। ইতিমধ্যেই দিল্লিতে ১০ জন দলীয় প্রতিনিধিকে সঙ্গে নিয়ে দিল্লিতে নির্বাচন সদনে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অভিষেক। এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্যের সিইও বা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের মুখোমুখি হওয়া নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মনে রাখতে হবে, রাজ্যে এস আই আর পর্বের শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ, সাংবিধানিক ঐতিহ্য বিরোধী পদক্ষেপ, এসআইআর নিয়ে পদ্ধতিগত ত্রুটি, পরিকল্পনার অভাব এবং অপরিনামদর্শী সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করে এসআইআর নিয়ে সর্বাত্মক বিরোধিতা করেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। এমনকি সিইও দপ্তরের ভিতরে বি এল ও দের ধরনা অবস্থান এবং লাগাতার বিক্ষোভ এই বিরোধিতাকে অন্য মাত্রায় এনে দিয়েছে। পাশাপাশি বিএলও মৃত্যু থেকে বহু তলে ভোটের বুট করার সিদ্ধান্ত সহ একাধিক ইস্যুতে খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারংবার চিঠি দিয়ে রাজ্য সরকার এমনকি শাসকদলের এসআইআর নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। সিইও অভিষেক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশিত এই যাবতীয় রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে তা বলার অপেক্ষায রাখে না।

Share with