হেডলাইন

কমিশনের নজরে রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকার প্রজেনি ভোটার, খতিয়ে দেখতে নয়া উদ্যোগ

 

সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়

২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে ভোটার ম্যাপিংয়ের ক্ষেত্রে প্রজেনি ভোটারের (যাদের ২০০২ সালের তালিকায় নাম নেই) সংখ্যা রাজ্যের মোট ভোটারের অর্ধেক। কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে প্রজেনি ভোটারের সংখ্যা ৩, ৮৪, ৮৫, ১৬৬ জন , মোট ভোটারের ৫০.২২ শতাংশ। আর রাজ্যে সেল্ফ ভোটারের (যাদের নাম ২০০২ এবং ২০২৫ দুই ভোটার তলিকাতেই রয়েছে) সংখ্যা ২, ৯৩, ৫২, ৮৯৩ জন , রাজ্যের মোট ভোটারের ৩৮.৩ শতাংশ।

রাজ্যে এই প্রজেনি ভোটারদের সংখ্যাধিক্য এবং এসআইআর-এ এদের ক্ষেত্রে অদ্ভুত তথ্যও উঠে এসেছে ।প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বর্তমান ভোটাররা ভোটার ম্যাপিং করাতে বাবা অথবা ঠাকুর্দা-দাদুর বয়সের যে তথ্য দিচ্ছে তাতে সন্দেহ দানা বেঁধেছে কমিশনের। কোনও ক্ষেত্রে বাবা ও ঠাকুর্দার বয়সের পার্থক্য এমন দাঁড়িয়েছে যা প্রকৃতপক্ষে অবাস্তব। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বাবা অথবা মা নয়, ঠাকুর্দা-ঠাকুমা অথবা দাদু-দিদিমার সঙ্গে ম্যাপিং করিযেছে বর্তমান ভোটাররা। বিশেষ করে রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকায় এই ধরণের ট্রেন্ড বেশি বলে সিইও দপ্তর সূত্রে খবর। এই বিষয়টি রাজ্যের সিইও এবং রোল অবজার্ভারদের চোখ এড়ায়নি। সিইও-র নির্দেশে অবজার্ভাররা নির্বাচন কমিশনের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য ধরে ধরে জানতে চেয়েছেন। কমিশনের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে এনুমারেশন তথ্য খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন সিইও। এই ক্ষ

পশ্চিমবঙ্গেএস আই আর এর কাজে একেবারেই খুশি নয় নির্বাচন কমিশন। অগত্যা তাই শেষ মুহূর্তে বিশেষ প্রতিনিধিদল পাঠিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষণের কাজ করতে হচ্ছে কমিশনকে। যার ফলে সংখ্যায় রকমফের হতে পারে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। বিএলও-রা যথাযথভাবে কজ করেনি বলেই মনে করছেন সিইও নিজেই।

বস্তুত, রাজ্যে এসআইআর কজে সম্পূর্ণ আস্থা না রাখতে পারায় একের পর এক রোল অবজার্ভার থেকে শুরু করে বিশেষ রোল অবজার্ভার এমনকি প্রতিটি ডিভিশনের জন্য বিশেষ রোল অবজারভার নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন।
অর্থাৎ সংখ্যাতত্ত্ব নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবার নতুন করে যে গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতেই কেবলমাত্র এই সমস্যাটাই বড় আকার ধারণ করেছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল বুধবার জানিয়েছেন, খসড়া তালিকা প্রকাশ করার আগে যেন সবকিছু ভালো করে খতিয়ে দেখে তবেই যেন তালিকা প্রকাশ করা হয় এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে।

Share with