নবান্নের ঘরটা এখনো বন্ধ
নবান্নের প্রথম তোলার ১০২ নম্বর ঘর। দীর্ঘ সময় ধরে ঘরটি বন্ধ। এই ঘরেই বসতেন সদ্য জামিনে জেল মুক্তি প্রাপ্ত প্রাক্তন রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি রাজ্য শিক্ষা মন্ত্রী। সঙ্গে সামলাছিলেন ছিলেন পরিষদীয় দপ্তর। কিন্তু ছন্দপতন ঘটে ২০২২ সালে। ওই বছর শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির তল্লাশিতে প্রচুর অর্থ উদ্ধার হয় তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তার বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে। দুজনেই গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তারির পর নবান্নের এই ঘরটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। খুলে ফেলা হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ‘নেমপ্লেট’। সাড়ে তিন বছরের দীর্ঘ জেলবন্দি থাকার পর শেষ পর্যন্ত জামিনে মুক্তি পেয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। জেনে থাকাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বেশ কয়েকবার। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এর আগে অনেকবার জামিনের আবেদন করেও তা খারিজ হয়ে গিয়েছিল। পার্থ চট্টোপাধ্যায় যখন বাড়ি ফেরার পথে এগোচ্ছেন, তখন অনেক অনুগামীরা ভিড় জমিয়েছিলেন। অনেকেই স্লোগান দিতে শুরু করেন এবং পোস্টার নিয়ে আসেন যাতে লেখা , বেহালা পশ্চিমে পার্থ চট্টোপাধ্যায় কেই চাই। গ্রেপ্তারির পর পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাত থেকে সমস্ত দপ্তর কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই ঘরটিতে নতুন করে কাউকে বসতে দেওয়া হয়নি। এই সাড়ে তিন বছর নবান্নের প্রথম তলার ১০২ নম্বর ঘরটি বন্ধই ছিল। এবং এখনো আছে। ঘরের নম্বরটিও তুলে ফেলা হয়েছে। নবান্নের আনাচে-কানাচে প্রশ্ন, নবান্নের এই ঘরটা আবার খুলবে নাকি? আবার দেখা যাবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় কে? উত্তর দেবে সময়। তাই সবটাই সময়ের উপরে ছেড়ে দেওয়া হল। আপাতত বন্ধই রয়েছে রাজ্যের মুখ্য প্রশাসনিক ভবন নবান্নের প্রথম তলার ১০২ নম্বর ঘরটি।

