হেডলাইন

প্রথম পদক্ষেপেই হোঁচট !!? সাত দিন শুনানি বাড়িয়ে প্রেম দিবসের বদলে ভাষা দিবসে তালিকা প্রকাশ

 

সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়

আশঙ্কাই সত্যি হল। রাজ্যে সাত দিন পিছিয়ে গেল এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়া। রাজ্যের সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল রাজ্যে এসআইআর শুনানি শেষের জন্য আরও সাত দিন অতিরিক্ত সময় চেয়েছেন কমিশনের কাছে। অর্থাৎ ৭ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যে শুনানি প্রক্রিয়া চলবে। স্বাভাবিক নিয়মে সাত দিন পিছিয়ে যাবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিনও। সেই অনুযায়ী প্রেম দিবসের পরিবর্তে ভাষা দিবসে রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা বলে মনে করা হচ্ছে। অর্থাত, আপাতত প্রেম দিবসে (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার ব্যথা থেকে মুক্তি দিল নির্বাচন কমিশন। বরং চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের জন্য ভাষা দিবসকেই (২১ ফেব্রুয়ারি) বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা।

মূলত নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শনিবার এসআইআর শুনানি পর্বের শেষ দিন হলেও উত্তর ২৪ পরগনায় বিধানসভা নোয়াপাড়া, দক্ষিন ২৪ পরগনার মেটিয়াবুরুজ সহ ৭ টি, কলকাতা উত্তরে ১ টি, কলকাতা দক্ষিণে বন্দর বিধানসভা, হাওড়ায় ১ টি, দার্জিলিংয়ের কার্শিয়ং বিধানসভা সহ আরও কয়েকটি এলাকায় শুনানি প্রক্রিয়া , নথি আপলোড এবং ডিসপোজের করার কাজ সম্পূর্ণ হয়নি।
দুদিন আগেই সমস্ত জেলা শাসকদের কাছ থেকে শুনানির স্ট্যাটাস রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছিলেন সিইও।
সেই রিপোর্ট বিচার-বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে বহু ক্ষেত্রে লজিকাল ডিসক্রিপ্যান্সির জন্য নোটিশ পাওয়া ভোটারদের অনেকেই শুনানিতে হাজির হননি। তাঁদের নতুন করে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। যেখানে যেখানে শুনানির কাজ বাকি সেখানে প্রায় ২৫ শতাংশ ক্ষেত্রে নথি আপলোড করা হয়নি।
তাছাড়া বেশ কিছু নথি নিয়ে যে বিভ্রান্তি রয়েছে সেগুলো নতুন করে পাঠানো নির্দেশ পালনের জন্য অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন। ফলে যেখানে শুনানির কাজ এখনও অসম্পূর্ণ সেই এলাকায় আরও ৭ দিন বাড়তি সময় দেওয়ার আবেদন জানানো হয়। যদিও সিইও মনোজ কুমার আগরওয়ালের মতে, ৯৫ শতাংশ জায়গায় শুনানি শেষ হয়ে গেছে।

এদিকে কমিশন নির্ধারিত সিডিউলের বদল নিয়ে ফের সমালোচিত কমিশন। অপরিকল্পিতভাবে এসআইআর করতে গিয়েই প্রথম পদক্ষেপেই হোঁচট খেতে হয়েছে বলে কটাক্ষ করেছেন শাসকদলের নেতৃবৃন্দ। বিজেপির পক্ষ থেকে অবশ্য এনিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে জানানো হয়েছে।

Share with