হেডলাইন

পর্যবেক্ষকদের রিপোর্টে গাফিলতির প্রমাণ, বারুইপুর পূর্বের ইআরও, এইআরও এবং দুই বিএলও-কে শো-কজ

 

সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়

অবজার্ভারদের রিপোর্ট অনুযায়ী এসআইআর প্রক্রিয়ায় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও দুর্নীতির অভিযোগে বারুইপুর পুর্ব কেন্দ্রের ইআরও এবং এইআরও তথা বিডিও এবং দুই বিএলও -কে শো-কজ করল নির্বাচন কমিশন।

এসআইআরের প্রথম পর্যায়ে বারুইপুর পূর্বের ৯৪ নম্বর বুথে শাসকদলের স্থানীয় বুথ সভাপতি থাকা এক শিক্ষিকা সোমা পাল কে প্রথমে বিএলও করা হয়েছিল। বিরোধী দল অভিযোগ তুললে তাঁকে বদলি করা হয় এবং ৪ নভেম্বর থেকে একই বুথে দায়িত্ব দেওয়া হয় এক অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী দেবী পাল কে। এরপরই নির্বাচন কমিশনের নজরে আসে—৪ নভেম্বর বদলি হওয়ার পরও আগের শিক্ষিকা গণনার একাধিক ফর্ম সংগ্রহ করেছেন এবং অনেক ফর্মেই রয়েছে তাঁর ২৫ নভেম্বরের স্বাক্ষর। প্রশ্ন উঠেছে, কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কীভাবে দায়িত্বচ্যুত ওই শিক্ষিকাই ফর্ম সংগ্রহ করলেন এবং বিএলও-র কাজ চালিয়ে গেলেন? নতুন নিযুক্ত বিএলও জানিয়েছিলেন তিনি অসুস্থ ছিলেন। তাই তাঁর আত্মীয়—যিনি পাশের ৯৬ নম্বর বুথের বিএলও তাঁকে ডিজিটাইজেশনে সহায়তা করেছিলেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এই ব্যাখ্যা গ্রহণ করেনি। সংশ্লিস্ট পর্যবেক্ষকরা খতিয়ে দেখে কমিশনকে রিপোর্ট দেওয়া হয়। জানা যায়, কমিশনের নির্দেশ অমান্য করে দায়িত্ব বহির্ভূত ও দুর্নীতিমুলক কাজে জড়িয়ে ছিলেন একাধিক নির্বাচনকর্মী। অভিযোগ পেয়েই তদন্তে গতি বাড়ান রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল এবং বিশেষ রোল পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তের কাছেও। এরপর পর্যবেক্ষকদের রিপোর্ট পেয়ে ইআরও এবং এইআরও-কে শো -কজ করা হয়েছে। কমিশনের বিধি অনুযায়ী তথ্য গরমিল ও লোপাট করা হলে এবং অবহেলা ও অনিয়ম প্রমাণিত হলে সাত বছরের জেল হতে পারে।

Share with