হেডলাইন

*রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে কমপক্ষে ৫০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রাখবে কমিশন* *সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়* ভোট মিটলেও কাজ মিটবে না কেন্দ্রীয় বাহিনীর। গণনাকেন্দ্র থেকে ইভিএমের স্ট্রং রুম সুরক্ষায় যেমন ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে তেমনি নির্বাচনোত্তর হিংসা মোকাবিলায় আলাদাভাবে আরও ৫০০ কোম্পানি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ডিউটি করবে বলে কমিশন সূত্রে খবর। পরিস্থিতি বুঝে হিংসা-অশান্তি মোকাবিলায় আরও অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হতে পারে পশ্চিমবঙ্গে বলে জানিয়েছেন পদস্থ আধিকারিকরা। প্রসঙ্গত, এবারের নির্বাচনে সুরক্ষা ব্যবস্থা বজায় রাখতে যত বাহিনী প্রয়োজন তার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছিলেন সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল। বস্তুত, পশ্চিমবঙ্গে একুশের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী হিংসা বা অশান্তি অথবা চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে অশান্তির কথা মাথায় রেখে এবারের নির্বাচনে প্রথম থেকেই রাজ্যে নির্বাচনী অশান্তি দমনে কড়া বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। স্বচ্ছ্বতা ও নিরপেক্ষতা রক্ষায় রাজ্য পুলিশ-প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে নিচুতলা পর্যন্ত খোলনলচে বদলে দেওয়া হয়েছে। আট দফার বদলে মাত্র দুই দফায় নির্বাচন সম্পন্ন করতে রাজ্যে ভোটের দিন অশান্তি মোকাবিলায় একাধিক দফায় মোট ২,৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আগাম মোতায়েন করা হয়েছে। প্রয়োজনে বাহিনীর সংখ্যা বাড়ানোর ইঙ্গিতও দিয়ে রেখেছে কমিশন। নির্বাচনী গাইডলাইনকে মান্যতা দিতে এরাজ্যে এসআইআর পর্ব থেকে নির্বাচনী পর্বে বেশ কিছু সংস্কারমুলক বা অভুতপুর্ব পদক্ষেপও করেছে নির্বাচন কমিশন। তবুও ‘শেষ ভাল যার, সব ভালো তার ‘ এই আপ্তবাক্য মাথায় রেখে এবং পশ্চিমবঙ্গের অতীত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নির্বাচনী পরবর্তী সময়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ কমিশন। আর সেই ভাবনা থেকেই ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন শেষ হযে যাওয়ার পর ৪ মে গণনার কাজ শেষ হয পর্যন্ত রাজ্যের শতাধিক গননাকেন্দ্র ও স্ট্রংরুম নিরাপত্তায় ২০০ কোম্পানি বাহিনী এবং নির্বাচন পরবর্তী হিংসা মোকাবিলায় আরও অন্ততপক্ষে ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যজুড়ে মোতায়েন থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।

সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়

ভোট মিটলেও কাজ মিটবে না কেন্দ্রীয় বাহিনীর। গণনাকেন্দ্র থেকে ইভিএমের স্ট্রং রুম সুরক্ষায় যেমন ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে তেমনি নির্বাচনোত্তর হিংসা মোকাবিলায় আলাদাভাবে আরও ৫০০ কোম্পানি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ডিউটি করবে বলে কমিশন সূত্রে খবর। পরিস্থিতি বুঝে হিংসা-অশান্তি মোকাবিলায় আরও অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হতে পারে পশ্চিমবঙ্গে বলে জানিয়েছেন পদস্থ আধিকারিকরা।

প্রসঙ্গত, এবারের নির্বাচনে সুরক্ষা ব্যবস্থা বজায় রাখতে যত বাহিনী প্রয়োজন তার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছিলেন সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল। বস্তুত, পশ্চিমবঙ্গে একুশের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী হিংসা বা অশান্তি অথবা চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে অশান্তির কথা মাথায় রেখে এবারের নির্বাচনে প্রথম থেকেই রাজ্যে নির্বাচনী অশান্তি দমনে কড়া বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। স্বচ্ছ্বতা ও নিরপেক্ষতা রক্ষায় রাজ্য পুলিশ-প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে নিচুতলা পর্যন্ত খোলনলচে বদলে দেওয়া হয়েছে। আট দফার বদলে মাত্র দুই দফায় নির্বাচন সম্পন্ন করতে রাজ্যে ভোটের দিন অশান্তি মোকাবিলায় একাধিক দফায় মোট ২,৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আগাম মোতায়েন করা হয়েছে। প্রয়োজনে বাহিনীর সংখ্যা বাড়ানোর ইঙ্গিতও দিয়ে রেখেছে কমিশন। নির্বাচনী গাইডলাইনকে মান্যতা দিতে এরাজ্যে এসআইআর পর্ব থেকে নির্বাচনী পর্বে বেশ কিছু সংস্কারমুলক বা অভুতপুর্ব পদক্ষেপও করেছে নির্বাচন কমিশন। তবুও ‘শেষ ভাল যার, সব ভালো তার ‘ এই আপ্তবাক্য মাথায় রেখে এবং পশ্চিমবঙ্গের অতীত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নির্বাচনী পরবর্তী সময়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ কমিশন। আর সেই ভাবনা থেকেই ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন শেষ হযে যাওয়ার পর ৪ মে গণনার কাজ শেষ হয পর্যন্ত রাজ্যের শতাধিক গননাকেন্দ্র ও স্ট্রংরুম নিরাপত্তায় ২০০ কোম্পানি বাহিনী এবং নির্বাচন পরবর্তী হিংসা মোকাবিলায় আরও অন্ততপক্ষে ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যজুড়ে মোতায়েন থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।

Share with