হেডলাইন

রাজ্যে সাহায্যকারী বুথের নিরাপত্তায় বাহিনী বিড়ম্বনা !! খামতি ঠেকাতে বিকল্প ভাবনা

সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়

বাহিনী বাড়ন্ত ! তাই রাজ্যে ৪৬৬০ টি অক্সিলারি বা সাহায্যকারী বুথ পাহারায় পর্যাপ্ত বাহিনীর যোগান পাচ্ছে না রাজ্য। সিইও দপ্তর ৪,৬৬০ সাহায্যকারী বুথের জন্য ইতিমধ্যেই কমপক্ষে ১২৪ কোম্পানি বাহিনীর প্রয়োজন বলে কমিশনকে জানিয়েছে। যদিও রাজ্যে প্রথম দফার ভোটের সময় যেহেতু আরও তিন রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ভোট রয়েছে তাই বাড়তি বাহিনী এরাজ্যে পাঠানো কার্যত সম্ভব নাও হতে পারে বলে জানিয়েছে দিল্লি। সরকারি সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সর্বাধিক ৫০ কোম্পানি পাঠাতে পারে বলে কমিশনকে জানিয়েছে। দু’একদিনের মধ্যেই রাজ্যের সাহায্যকারী বুথগুলির নিরাপত্তায় কত কোম্পানি বাহিনী পাঠানো সম্ভব তা নির্দিষ্টভাবে নিজেই জানাবে কমিশন।

১২০০-র বেশি ভোটার রয়েছেন রাজ্যে এরকম ৪,৬৬০ টি ভোটকেন্দ্রে নিয়ম অনুযায়ী একটি করে সাহায্যকারী বুথ থাকবে। এদিকে অতিরিক্ত বুথ হলে বুথ নিরাপত্তা থেকে ভোটার নিয়ন্ত্রণের জন্য অতিরিক্ত বাহিনীও প্রয়োজন। সিইও দপ্তরের হিসেব অনুযায়ী ২,৪০০ কোম্পানির সঙ্গে আরও কমপক্ষে ১২৪ কোম্পানি বাহিনী দরকার। কিন্তু এবারের নির্বাচনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা তৈরি করতে ইতিমধ্যেই
নির্বাচন কমিশনের সুপারিশে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ২৪০০ কোম্পানি বাহিনী বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে একটি রাজ্যের নির্বাচনের জন্য সর্বাধিক। এমতাবস্থায় প্রথম দফায় আরও অতিরিক্ত বাহিনী এরাজ্যে পাঠাতে নারাজ দিল্লি।

তাহলে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছাড়াই ভোটগ্রহণ হবে সাড়ে চার হাজারের বেশি সাহায্যকারী বুথে ? উত্তরে কমিশনের পদস্থ আধিকারিক জানান, দিল্লি থেকে কমপক্ষে অতিরিক্ত ৫০ কোম্পানি বাহিনীর যোগান মিলবে ধরে নিয়ে বাকি বাহিনীর যোগান রাজ্যের বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকেই নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ভোটপর্বের আগে থেকেই মুর্শিদাবাদের অশান্ত পরিস্থিতির মোকাবিলায় যে ১৫ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রয়েছে তাদের এই কাজে যুক্ত করা যেতে পারে। অ্যাডজুডিকেশন পর্বে যুক্ত বিচারকদের নিরাপত্তায় থাকা ৩০ কোম্পানি এবং বাকিটা কুইক রেসপন্স টিম (QRT) থেকে কিছু বাহিনী তুলে নিয়ে সাহায্যকারী বুথের নিরাপত্তার কাজে বহাল করার পরিকল্পনা রয়েছে কমিশন কর্তাদের। তবে যেহেতু প্রথম দফার বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে সাহায্যকারী বুথের সংখ্যা বেশি তাই দ্বিতীয় দফা বা ২৯ এপ্রিলের ঘটে সাহায্যকারী বুধগুলির প্রহরায় বাহিনী সমস্যা প্রকট হবে না বলে জানা গেছে।

Share with